কারখানা বন্ধের মেয়াদ আরো ২ মাস বাড়িয়েছে সাফকো স্পিনিং

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেডের কারখানায় উৎপাদন বন্ধের মেয়াদ আরো দুই মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ।

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেডের কারখানায় উৎপাদন বন্ধের মেয়াদ আরো দুই মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত কোম্পানিটির কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, গত ৩ ফেব্রুয়ারি সাফকো স্পিনিংয়ের কারখানা পরিদর্শনে গিয়েছিল ডিএসইর একটি পরিদর্শক দল। পরিদর্শনকালে কোম্পানিটির উৎপাদন ও কার্যক্রম বন্ধ পায় ডিএসই। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি কারখানা বন্ধের কারণ হিসেবে কোম্পানিটি জানায়, লোকসান কমাতে কোম্পানিটির পর্ষদ ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দুই মাসের জন্য সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রেখেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৪৬ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৫৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৯ পয়সায়।

গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ১১ টাকায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৭ টাকা ৮০ থেকে ১৫ টাকা ২০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি সাফকো স্পিনিং মিলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৯৯ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি সাফকো স্পিনিং মিলস। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ৫২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৩৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১৫ টাকা ৯৪ পয়সা।

২০০০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সাফকো স্পিনিং মিলসের অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৯ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসান ২১ কোটি ১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৯৯ লাখ ৮১ হাজার ৭১৬। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩০ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩ দশমিক ৭৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৬ দশমিক ২১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও